খুসখুসে বিরক্তিকর কাশির ঔষধ ও ঘরোয়া উপায়ে দ্রুত মুক্তি

খুসখুসে, শুকনো ও বিরক্তিকর কাশি অনেক সময় কফ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে থাকে। এতে গলায় চুলকানি, জ্বালা, কথা বলতে কষ্ট এবং রাতে ঘুমের সমস্যা হয়।

ধুলাবালি, অ্যালার্জি, ভাইরাল সংক্রমণ, গলা শুষ্ক হয়ে যাওয়া বা সর্দি সেরে যাওয়ার পরও এই কাশি থেকে যেতে পারে। সঠিক খুসখুসে কাশির ঔষধ বেছে নিলে দ্রুত আরাম পাওয়া সম্ভব।

এই আর্টিকেলে খুসখুসে বিরক্তিকর কাশির ঔষধ, ডোজ, ঘরোয়া সহায়ক উপায় ও গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।

খুসখুসে কাশি কী

এটি সাধারণত Dry Cough কাশির সময় কফ বের হয় না, কিন্তু গলায় খসখসে অনুভূতি থাকে। বারবার কাশি আসে, বিশেষ করে রাতে বা কথা বলার সময়। খুসখুসে কাশি হওয়ার কারণসমূহ:

  • অ্যালার্জি (ধুলা, ধোঁয়া, পরাগ)
  • ভাইরাল ইনফেকশন পরবর্তী জ্বালা
  • গলা শুষ্ক হওয়া বা কম পানি পান
  • ঠান্ডা-সর্দি সেরে যাওয়ার পর অবশিষ্ট জ্বালা
  • এসিড রিফ্লাক্স (GERD)
  • ধূমপান বা দূষিত পরিবেশ

খুসখুসে বিরক্তকর কাশি হওয়ার কারণ সমূহ কি 

খুসখুসে কাশি হওয়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে। বিশেষ করে ঋতু পরিবর্তন ও গরমকালে অতিরিক্ত ঘেমে গেলে সেই ঘাম থেকে কাশি হতে পারে। তাছাড়াও অতিরিক্ত ধুলাবালির মধ্যে থাকলে কাশি হয়ে থাকে।

আরও বিভিন্ন ধরনের কারণ রয়েছে যেগুলো আমরা নিচে আলোচনা করব। নিম্নে খুসখুসে বিরক্তকর কাশি হওয়ার কারণ সমূহ তুলে ধরা হলোঃ

  • অনেকের বিভিন্ন ধরনের কাজ করার পরে গরমে ঘেমে থাকে। এ সময় ঘামা অবস্থায় গোসল করলে ঠান্ডা লেগে কাশি হয়ে থাকে।

  • আবার যারা দীর্ঘদিন ধূমপান করে এবং অতিরিক্ত ধূমপানের কারণে এ ধরনের কাশি হয়ে থাকে।

  • এছাড়াও শীতের সময় ঠান্ডা লাগার কারণে ভাইরাস সংক্রমণের ফলে খুসখুশি শুষ্ক কাশি হয়ে থাকে।

  • অনেক ক্ষেত্রে আবার অ্যালার্জিজনিত কারণে খুসখুসে বিরক্তকর কাশি হয়ে থাকতে পারে।

  • যাদের হাঁপানি রোগ রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে অনেক সময় খুসখসে কাশি হয়ে থাকে।

  • বিভিন্ন ধরনের স্টোরয়েড জাতীয় বা উচ্চ রক্তচাপ বৃদ্ধির ওষুধ গ্রহণ করার ফলে এ ধরনের কাশি হতে পারে।

  • তাছাড়া যাদের হৃদরোগের সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রেও শুষ্ক কাশি হয়ে থাকে।

  • অনেকের আবার মানসিক চাপ থেকে এ ধরনের কাশি হয়।

  • এছাড়াও যারা পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করে না তাদের ক্ষেত্রেও অনেক সময় এ ধরনের কাশি হতে দেখা যায়।

  • বায়ু দূষণযুক্ত এলাকায় বা ধুলাবালি যুক্ত স্থানে বসবাস করলে এ ধরনের বিরক্তকর খুসখুসে কাশি হয়ে থাকে।

  • অনেকের আবার নিউমোনিয়া রোগ রয়েছে তাদের ক্ষেত্রেও এ ধরনের কাশি দেখা দিতে পারে আবার শ্বাসযন্ত্রে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমের ফলে এ ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে।

আপনারা এতক্ষণে খুসখুসে বিরক্তকর কাশি হওয়ার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। এখন সে কারণগুলো ভালোভাবে জেনে নিয়ম অনুযায়ী কিছু উপায় অবলম্বন করলে কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এবং খুসখসে কাশি প্রতিরোধ করা যায়।

আরো পড়ুনঃ  মোটা মেয়ে এবং চিকন মেয়ে বিয়ে করার উপকারিতাগুলো জানুন

খুসখুসে বিরক্তিকর কাশির ঔষধ 

আমাদের মধ্যে অনেকের এ ধরনের কাশি হয়ে থাকে। সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে এই খুশখুসে কাশি হতে দেখা যায়। 

অবশ্যই পড়বেনঃ খুসখুসে বিরক্তিকর কাশির ঔষধ 

তবে আপনারা চাইলে কিছু ওষুধ গ্রহণের মাধ্যমে এ ধরনের কাশি দূর করতে পারবেন।তবে অনেক ধরনের ওষুধ রয়েছে যেগুলো আপনাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করতে হবে। আমরা এখন শুধু আপনাদের জন্য কিছু খুশখুসে বিরক্তিকর কাশির ঔষধ ও ট্যাবলেট নাম সম্পর্কে তুলে ধরার চেষ্টা করব।

 

  • Ocof
  • Nectar
  • Dexotix Tablet
  • Fenat Tablet
  • Dexpoten Plus Syrup
  • Abex
  • Madhuvas – খুসখুসে বিরক্তিকর কাশির ঔষধ 
  • Tofen

আপনারা উপরের দেওয়া শুকনো বা খুসখুসে কাশির ওষুধ গুলো ব্যবহার করতে পারেন। তবে অবশ্যই ভালো একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের নিকট পরামর্শ করে ওষুধগুলো কিনবেন।

কারণ তারা আপনার কাশির ধরন বুঝে ঔষধের নাম বলে দিবে। তাছাড়াও আরো কিছু ধরনের খুশখুসে কাশির ওষুধ রয়েছে সেগুলো হলোঃ

 

  • Tussilon Capsule 
  • এমব্রোক্স ৭৫ 
  • ডেক্সোটিক্স ট্যাবলেট
  • পিউরিসাল সিরাপ – খুসখুসে বিরক্তিকর কাশির ঔষধ 

উপরের দেওয়া ডেক্সোটিক্স ট্যাবলেট এর দাম হল মাত্র ১০ টাকা। এই ট্যাবলেটটি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা প্রতিদিন একটি করে সকাল ও রাতে সেবন করতে পারে।

 

এই ওষুধটি খাওয়ার জন্য অবশ্যই পেট ভরা থাকতে হবে। এজন্য খাবার খাওয়ার পর এই ওষুধটি গ্রহণ করার চেষ্টা করবেন। আর যদি শিশুদের খাওয়াতে চান তাহলে অবশ্যই ভালো ডাক্তারের নিকট পরামর্শ করে খাওয়াবেন। তাছাড়াও আপনারা উপরের দেওয়া ওষুধ গুলো নিয়ম মেনে খেতে পারেন।

উপরোক্ত ওষুধ গুলো নেওয়ার আগে অবশ্যই খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জেনে নিবেন। আপনারা যদি যেকোনো ফার্মেসির দোকান থেকে কেনেন তাহলে সেখান থেকে আপনারা ওষুধ খাওয়ার নিয়ম গুলো জানতে পারবেন।

 

আর যদি কম বয়সী শিশু বা বাচ্চাদের ক্ষেত্রে খাওয়াতে চান তাহলে অবশ্যই ভালো অভিজ্ঞ ডাক্তারের নিকট পরামর্শ নিতে হবে।

খুশখুসে বিরক্তকর কাশি দূর করার উপায়

আপনারা চাইলে খুসখুসে বিরক্তিকর কাশির ঔষধ না গ্রহণ করেও কাশি দূর করার উপায় সম্পর্কে জেনে কাশি দূর করতে পারবেন।

আমরা সকলে জানি অতিরিক্ত ওষুধ খাওয়া আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই আপনারা কাশির ওষুধ গুলো খাওয়ার পূর্বে কিছু উপায় অবলম্বন করে কাশি দূর করতে পারেন। 

এজন্য আমরা আজকের এই অংশে খুশখুসে বিরক্তকর কাশি দূর করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। তবে চলুন খুশখুসে বিরক্তকর কাশি দূর করার উপায় ও নিয়ম জেনে নেওয়া যাক।

  • গরম পানির সাথে লবণ মিশিয়ে মুখে গড়গড়া করলে কাশি অনেকটা দূর হয়ে যায়। তাই হালকা কুসুম গরম পানির সাথে লবণ মিশিয়ে নিন এবং কিছুক্ষণ পর পর পানি নিয়ে গড়গড়া করুন।

  • কাশি দূর করার জন্য আপনারা গরম দুধ অথবা গরম সুপ খেতে পারেন। এতে করে গলায় অনেকটা আরাম পাওয়া যায় আর কাশি অনেকটা কমে আসে।

  • আপনারা সকলে জানেন আদা চা কাশি দূর করতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আদাতে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন উপাদান যার ফলে এটি আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এজন্য আপনি যদি খুসখুশে কাশি দূর করতে চান তাহলে প্রতিদিন আদা চা খেতে পারেন।

  • কাশি দূর করতে আপনারা প্রতিদিন গরম পানির ভাপ গলায় ওপর নিতে পারেন। এতে করে আপনার গলার শুকনো ভাব কমবে এবং গলা ব্যাথা অনেক কমে আসবে। তাছাড়াও শুকনো কাশির তীব্রতা অনেকটা কমে আসবে।

  • এছাড়াও তুলসী পাতার রস ঠান্ডা কাশি দূর করার জন্য খুবই কার্যকরী। তুলসী পাতার রস করে সাথে কিছু ২ চামচ মধু মিশিয়ে প্রতিদিন খেলে কিছুদিনের মধ্যেই আপনার শুকনো কাশি দূর হয়ে যাবে।

  • খুসখুসে বিরক্তকর কাশি দূর করার জন্য আপনারা কিছুদিন লবঙ্গ খেয়ে দেখতে পারেন। লবঙ্গ মুখের মধ্যে নিয়ে দাঁত দিয়ে চেপে ধরে রাখুন এবং লবঙ্গের রস খেয়ে ফেলবেন। তাছাড়া লবঙ্গ সম্পন্ন খেয়ে ফেললেও হবে। এভাবে কিছুদিন লবঙ্গ খেলে খুসখুসে কাশি নিরাময় হয়ে যাবে।

  • কাশি দূর করতে চাইলে সর্বপ্রথম আপনাকে ধূমপান পরিত্যাগ করতে হবে এবং মাদকদ্রব্য সেবন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

  • ধুলাবালি ও স্বাস্থ্যকর জায়গা থেকে দূরে থাকতে হবে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বসবাসযোগ্য স্থানে থাকতে হবে।

  • শীতের সময় অবশ্যই হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করতে হবে। যাদের ঠান্ডা লাগে শীতের সময় তাদের ক্ষেত্রে গরম পানি দিয়ে গোসল করাই ভালো।

  • তাছাড়াও আদার সাথে গরম পানি দিয়ে প্রতিদিন খেতে পারেন। এতে করে শুকনো কাশি দূর হয়ে যায়।

  • দীর্ঘদিন ধরে শুকনো কাশি হয়ে থাকলে ডাক্তারের নিকট চিকিৎসা গ্রহণ করবেন। তারা আপনাদের সঠিক চিকিৎসা দেওয়ার মাধ্যমে খুসখুসে কাশি সমস্যার সমাধান করে দেবে।

  • এছাড়াও আপনারা ঘি এর সাথে গোলমরিচ মিশিয়ে খেতে পারেন। এর ফলে অনেক সময় খুসখুসে কাশি অনেকটা কমে আসে।

আরো পড়ুনঃ  সাফি সিরাপ খেলে কি ওজন কমে?

আপনারা উপরে খুসখুসে বিরক্তকর কাশি দূর করার উপায় গুলো সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আপনাদের মধ্যে কারো যদি দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কাশি হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন।

কারণ দীর্ঘদিন এ ধরনের কাশি হলে শরীরের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়ে থাকতে পারে। তাছাড়া যাদের শুষ্ক কাশি হয়ে থাকে তারা উপরের উপায় গুলো অবলম্বন করে কাশি দূর করতে পারবেন।

গলায় খুশখুশে কাশির ঔষধ

গলায় খুসখুসে কাশি সাধারণত বিভিন্ন কারণে হতে পারে। সেই কারণগুলো জেনে আপনাদের আগে থেকে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সাধারণত শীতের সময় অতিরিক্ত ঠান্ডাতে শরীর ভালো লাগার পর এই ধরনের কাশি হয়ে থাকে। 

তাছাড়াও যারা ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ও ধুলাবালিজনিত এলাকায় বসবাস করেন তাদের ক্ষেত্রে এ ধরনের কাশি হয়ে থাকে।

তবে চিন্তায় কোন কারণ নেই আপনারা চাইলে কিছু ট্যাবলেট ও ঔষধ গ্রহণ করার মাধ্যমে গলায় খুসখুসে কাশি দূর করতে পারবেন। আর কথা না বাড়িয়ে গলায় খুসখুসে কাশি ট্যাবলেট এর নাম জেনে নেওয়া যাক।

  • Tofen tablet
  • Monas 10 tablet
  • Fexo 120 tablet
  • Keto A 100
  • Sendo 5mg

উপরের ওষুধ গুলো আপনারা গলায় খুসখুসে কাশি দূর করার জন্য খেতে পারেন। তাছাড়াও আপনারা তো আগের অংশেই খুশখুসে বিরক্তকর কাশির ঔষধ নাম সম্পর্কে জেনে এসেছেন। সেই ওষুধগুলো খেলেও গলায় খুশখুসে কাশি দূর হয়ে যায়।

অতিরিক্ত কাশি হলে কি ওষুধ খাব

সাধারণত অতিরিক্ত কাশি হলে গলায় ব্যথা হয়ে থাকে যা সকলের ক্ষেত্রে বিরক্তকর এবং কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। তবে চলুন এবার আমরা অতিরিক্ত কাশি হলে কি ওষুধ খাবেন এ সম্পর্কে জেনে আসি। 

  • Brolyt 3mg
  • Askorel SR 50mg
  • Axodin 180
  • Keto A 100
  • Fexo 120
  • Ambrox 75SR
  • Encilor 10mg
  • Sendo 5mg
  • Klarix

আপনাদের যদি অতিরিক্ত কাশি হয়ে থাকে তাহলে উপরোক্ত ঔষধ গুলো গ্রহন করতে পারেন। অবশ্যই একটা কথা মনে রাখা উচিত ওষুধগুলো গ্রহণ করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

আরো পড়ুনঃ  রেস্টুরেন্টে পার্ট টাইম চাকরির সুযোগ

যেকোনো ধরনের ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসার নিকট পরামর্শ নিয়ে খেতে হয়। তাই আপনারা যখন এই ওষুধগুলো কিনতে যাবেন তখন আপনার আশেপাশে দোকানে থাকা যেকোনো ডাক্তারের নিকট পরামর্শ নিয়ে ওষুধগুলো খাবেন।

শুষ্ক কাশির ঔষধের নাম

আমাদের বিভিন্ন কারণে শুষ্ক কাশি হয়ে থাকে। আর এ ধরনের কাশি হয়ে থাকলে গলা ব্যথা হয় যা বিরক্তকর হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য আমরা অনেকেই শুষ্ক কাশির ওষুধের নাম খুঁজে থাকি।

আপনারা শুষ্ক কাশির ঔষধ হিসেবে অ্যালকফ কফজেল ট্যাবলেট (Alkof Cofgel Tablet) এই ট্যাবলেটটি গ্রহণ করতে পারেন। 

এটি শুষ্ক কাশি দূর করার জন্য ভালো কাজ করে থাকে। তাছাড়া আপনারা উপরের অংশগুলোতে শুষ্ক কাশি দূর করার ট্যাবলেটের নাম গুলো সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

আর আমরা এই অংশে শুধুমাত্র শুষ্ক কাশি দূর করার একটি ওষুধের নাম তুলে ধরেছি। আপনারা চাইলে উপরের অংশগুলো থেকে আরো কিছু শুষ্ক কাশির ওষুধের নাম জানতে পারেন।

শেষ কথা-খুসখুসে বিরক্তিকর কাশির ঔষধ

খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি সাধারণ হলেও অবহেলা করলে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। কাশির ধরন বুঝে সঠিক জেনেরিক ঔষধ, পর্যাপ্ত পানি, এবং গলার যত্ন নিলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়। উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

FAQS – খুসখুসে বিরক্তিকর কাশির ঔষধ

খুসখুসে কাশিতে কোন ঔষধ দ্রুত কাজ করে?

Dextromethorphan শুকনো কাশিতে দ্রুত কাজ করে, আর অ্যালার্জি থাকলে Cetirizine/Levocetirizine উপকারী।

মধু কি সত্যিই উপকারী?

হ্যাঁ, মধু গলার শুষ্কতা কমিয়ে কাশি কমাতে সাহায্য করে (১ বছরের কম বয়সী শিশুকে নয়)।

কতদিনে কাশি সারে?

সাধারণত ৫–১০ দিনে কমে। ২–৩ সপ্তাহ থাকলে ডাক্তার দেখান।

রাতে কাশি বেশি হলে কী করবেন?

রাতে antihistamine বা honey-based syrup উপকারী হতে পারে, সাথে গরম পানি পান করুন।

Leave a Comment