প্রিয় বন্ধুরা আপনারা কি পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন করেছেন, যদি পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন করে থাকেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন অনুসন্ধান করতে হবে।
অনুসন্ধানের মাধ্যমে আপনি পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারবেন।
কিভাবে পল্লী বিদ্যুতের মিটার আবেদন অনুসন্ধান করতে হয় তা জানার জন্য আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।
বর্তমান সময়ে কিন্তু পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদনের সিস্টেম পরিবর্তন হয়েছে। তাই আমরা নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদন করার নিয়ম ও পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানার উপায় জানাবো।
পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে যা জানবো
আপনি যদি পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন করে থাকেন তাহলে সেই আবেদনটি কোন পর্যায়ে আছে তা জানার জন্যই পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন অনুসন্ধান করতে হয়।
পাশাপাশি আপনার আবেদনটি বিদ্যুৎ কর্মকর্তার কাছে পৌঁছালো কি না তা জানার জন্য এই অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।
আরো পড়ুনঃ বাটন ফোনে বিকাশে টাকা দেখার নিয়ম জানুন
আরো পড়ুনঃ ইমু ডাউনলোড হচ্ছে না কেন কারণ ও সমাধান জানুন
এছাড়াও আপনার আবেদনটি গ্রহণযোগ্য কি না সে সম্পর্কে জানতে হলেও মিটার আবেদন অনুসন্ধান করতে হয়। আশা করি জানতে পেরেছেন কেন এই মিটার আবেদন অনুসরণ করতে হয়। যদি আপনি নতুন মিটার আবেদন করে থাকেন,
আপনার সেই আবেদনটি কোন পর্যায়ে আছে এবং আবেদনটি বাতিল হয়েছে কি না তা সম্পূর্ণ কিছু আপনি ডিটেইলসহ জানতে পারবেন এই পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন অনুসন্ধানের মাধ্যমে।
তাই মিটার আবেদন অনুসন্ধান কিভাবে করবেন তা জানতে হলে শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকুন। পাশাপাশি মিটারের আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিন আর্টিকেলটির মাধ্যমে।
পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন অনুসন্ধান করার নিয়ম
এখন পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন অনুসন্ধান করার নিয়ম গুলো আলোচনা করা হবে। তাই সকলকে অনুরোধ করা হলো এই অংশটি গুরুত্ব সহকারে পড়ুন।
আর বর্তমানে ২০২৬ সালের শেষের দিকে এসে পল্লী বিদ্যুৎ এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করার নিয়ম পরিবর্তন হয়েছে।
যার কারণে আজকে পোষ্টের মাধ্যমে আপডেট নিয়ম গুলো আলোচনা করব। আগে নিয়ম গুলো সম্পন্ন বাতিল এবং বন্ধ রয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইটের নতুন ডিজাইন প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি কিছু নিয়ম চালু করেছে, সেই নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করতে হবে এবং অনুসন্ধান করতে হবে।
নিম্নে নতুন নিয়ম অনুযায়ী পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন অনুসন্ধান করার উপায় দেখানো হলোঃ
- সর্বপ্রথম আপনার স্মার্টফোনে অথবা কম্পিউটারে গুগল ক্রোম ব্রাউজার ওপেন করুন।
- এরপর ব্রাউজারে newconnection.rebpbs.com ওয়েবসাইটটিতে ভিজিট করুন।
- এখানে আপনাকে ইউজার আইডি ও লগইন পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্টে লগইন করতে হবে।

- এরপর লগইন বাটনে ক্লিক করলেই সরাসরি আবেদন অপশনে চলে আসবে। সেখান থেকেই আপনি আবেদনটির অনুসন্ধান করতে পারবেন।
এভাবে আপনি পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানতে পারবেন। আপনার আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে কি না তা জানতে পারবেন। এই নিয়মে আপনি পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিতে পারবেন।
আর যদি কোন তথ্য না দেখাই তাহলে বুঝবেন আপনার ট্রাকিং এর নাম্বার লিখতে ভুল হয়েছে। সর্বশেষে যদি সকল কিছু ঠিক থেকেও যদি কোন তথ্য না দেখায় তাহলে বুঝবেন আপনার আবেদনটি গ্রহণ করা হয়নি অথবা সময় লাগবে।
আর যদি বাতিল করে দেওয়া হয় তাহলে আপনি পুনরায় আবার অনলাইনে মিটারের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন করার নিয়ম
আমরা এখন নতুন পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে জানব। আপনি যদি নতুন পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন করতে চান, তাহলে এখন অবশ্যই এই পয়েন্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। আবেদন করার জন্য নিম্নে পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করুন।
- আপনাকে অবশ্যই সদ্য তোলা একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি আপলোড করতে হবে। তার সাইজ হবে ৩০০*৩০০ পিক্সেল এবং মিনিমাম ছবির সাইজ হবে ৫০ KB মধ্যে আর সর্বোচ্চ ছবির সাইজ ১৫০ KB এর মধ্যে হতে হবে।
- এখন আপনার ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্রের স্ক্যান করা ছবি লাগবে আর সেটি হতে হবে অবশ্যই রঙিন। ভোটার আইডি কার্ডের ছবির সাইজ হবে (৬০০*৪৭৫) পিক্সেল ও ছবির ম্যাক্সিমাম সাইজ ৩০০ KB এর মধ্যে রাখতে হবে।
- এছাড়াও জমির খারিজের ছবিগুলো আপলোড করতে হবে। এর সাইজ হবে 700 KB। আর যদি কাগজ অনেক হয়ে থাকে তাহলে সেগুলো পিডিএফ আকারে আপলোড দিতে পারেন।
এবার চলুন আবেদন করার প্রসেস গুলো জেনে আসি। মিটারের আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা
Step: 1
প্রথমে স্মার্টফোন অথবা কম্পিউটারে গুগল ক্রোম ব্রাউজারে যান। এবার newconnection.rebpbs.com লিখে সার্চ করে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। সাইটটিতে প্রবেশ করার পর উপরের দিকে আবেদন নামক একটি অপশন পাবেন।
সেখানে ক্লিক করুন, ক্লিক করার সাথে সাথে সেখানে আপনি আরো অনেক অপশন পাবেন। যেখানে “আবেদন করুন” নামক অপশন আছে সেখানে ক্লিক করুন।
নিজের ছবির মাধ্যমে তা দেখানো হলোঃ

আবেদন করুন অপশনটিতে ক্লিক করলেই সাথে সাথে স্কিনে একটি আবেদন ফরম চলে আসবে।আপনাকে এখন সেই আবেদন ফরমটি সকল তথ্য দিয়ে পূরণ করে সাবমিট করতে হবে। নিম্নে ফর্মটির ছবি দেওয়া হলঃ

আমরা শুধুমাত্র ফর্মটির উপরের অংশ ছবিতে দেখানোর চেষ্টা করেছি। আপনি তাদের ওয়েবসাইটে সরাসরি প্রবেশ করলেই পুরো ফর্মটি পেয়ে যাবেন।
যেখানে আপনি অনলাইনে ফর্মটি পূরণ করে জমা দিয়ে আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন। ফর্মটিতে লাল রংয়ের স্টার চিহ্ন মার্ক করা খালি বক্স গুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে।
আপনি যে এলাকায় থাকেন, সেই এলাকায় অনুযায়ী পিবিএস সেকশন থেকে বিদ্যুৎ সমিতি ও পিবিএস অফিস লিস্ট থেকে সিলেক্ট করুন।
বাসা বাড়ি যদি একক হলে আপনি এক ফেইজ সিলেক্ট করবেন। আর যদি আপনার বাসা ফ্ল্যাট বাড়ি হয়ে থাকে তাহলে আপনি তিন ফেইজ সিলেক্ট করবেন।
এরপর আপনাকে যিনি আবেদন করছেন তার মাতা পিতার নাম লিখতে হবে আর অবশ্যই নাম বাংলাতে হতে হবে। পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের জন্য অনলাইনে আবেদন ফরমে যেখানে ইংলিশে লেখা রয়েছে সেখানে ইংলিশে লিখতে হবে।
এরপর আপনি আবেদনকারী হলে আপনার স্থায়ী ঠিকানা দিন। এভাবে সকল কিছু লেখা রয়েছে ফর্ম এ ওই সকল তথ্যগুলো পূরণ করুন।

ফর্মটির উপরের অংশগুলোর সকল তথ্য গুলো পূরণ হয়ে গেলে , এবার ফ্রমটির নিচের অংশটিতে আসুন। এখানে আপনাকে ছবিসহ বিভিন্ন ধরনের ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে। প্রথমে আপনাকে নিজের একটি শর্ত তোলা ছবি আপলোড দিতে হবে।
এরপর আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের ছবি আপলোড দিবেন। তারপর খারিজের ছবি দিতে হবে। আপনি ছবিগুলো আগে থেকেই স্ক্যান করে রেখে দিবেন। যাতে করে এখন সহজেই ফর্মটিতে আপলোড দিতে পারেন।
ছবিগুলো আপলোড করা হয়ে গেলে নিচের দিকে তাদের শর্তাবলের সাথে একমত হচ্ছে এই বক্সটিতে টিক চিহ্ন দিবেন।
এরপর একবারে নিচের দিকে হিউম্যান ভেরিফিকেশন বক্স পাবেন। যেখানে কিছু কোড দেয়া হবে সেগুলো আপনাকে দেখে ফরমটির নিচের খালি বক্সটিতে লিখতে হবে।
আমরা ছবিতে দেখিয়ে দিয়েছি। কোডটি পূরণ করে সংরক্ষণ করুন অপশনটিতে ক্লিক করুন। এভাবেই পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন করতে হয়।
আবেদন সম্পন্ন হলে আপনি একটি ট্রাকিং নাম্বার ও পিন কোড পাবেন, এর নম্বর ও পিন কোডটি অবশ্যই সংরক্ষণ করে রাখবেন। পরবর্তীতে এই নম্বর ও পিন কোড দিয়ে আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানা যাবে।
আপনার আবেদনের কপি সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। আবেদন সম্পন্ন হলেই আপনাকে একটি পিডিএফ আকারে আবেদন ফরম সহ অন্যান্য ডকুমেন্ট দেওয়া হবে যেগুলো আপনি ফটোকপি করে রাখতে পারেন।
এরপর আপনাকে হাউজ ওয়্যারিং নিশ্চিত করার জন্য আপনার প্রয়োজনে ডকুমেন্ট অর্থাৎ বিল্ডিং এর ওয়ারিং কাগজ সমূহ(গ্রাউন্ড রড ক্রয়ের মেমো) আপলোড দিয়ে সাবমিট করতে হবে।
এর জন্য আপনাকে পুনরায় ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে মেনু থেকে আবেদন অপশনে ক্লিক করবেন। এক্ষেত্রে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্টে লগইন করতে হবে।
এরপর আবেদনের তালিকা থেকে সম্পাদনা বাটনে ক্লিক করুন। এখন আপনি হাউস ওয়ারিং নিশ্চিত করার অনেকগুলো অপশন পাবেন। সেখানে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পূরণ করুন। সর্বশেষে সাবমিট বাটনে ক্লিক করলেই আপনার আবেদন সম্পন্ন হবে।
আরো বিস্তারিত জানতে অথবা আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে জেনে নিতে তাদের অফিসিয়াল পিডিএফ দেখুন। সেখানে সকল কিছু উল্লেখ করা আছে।
পল্লী বিদ্যুৎ মিটারের আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা
পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানার জন্য newconnection.rebpbs.com সাইটটিতে ভিজিট করুন।
স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটার এর সাহায্যে সহজেই তাদের সাইটে ভিজিট করে এই কাজটি সম্পন্ন করতে পারেন। সাইটটিতে ভিজিট করার পর উপরের দিকে মেনুবার থেকে আবেদন অপশন পাবেন।
এখন আপনাকে পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানতে হলে তাদের অফিসের ওয়েবসাইটে ড্যাশবোর্ডে গিয়ে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে।

এছাড়াও নতুন সংযোগ আবেদন করলে তার ডিটেইলস আপনি সম্পূর্ণ এসএমএসের মাধ্যমে জেনে নিতে পারবেন।
তবে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দেয়ার লগইন করলে আবেদন সম্পর্কিত সকল তথ্য একসাথে জানতে পারবেন। এখানে আপনারা
- আবেদন ফি জমার অবস্থা
- ওয়ারিং পরিদর্শক নিযুক্তির অবস্থা
- ওয়ারিং প্রতিবেদন রিপোর্ট জমার অবস্থা
- ডিমান্ড নোট প্রদানের অবস্থা
- সিএম ও প্রদানের অবস্থা
- সিএমও কার্যসম্পাদনের অবস্থা
- ডিমান্ড নোট পরিশোধ এর অবস্থা
উপরোক্ত বিষয়গুলো জানতে পারবেন। তাই আপনার ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে লগইন করে নিন। তাহলেই আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা সহ নতুন মিটারের সকল বিস্তারিত জানতে পারবেন।
পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন ফি
২০২৬ সালের নতুন নিয়ম অনুযায়ী তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে জানতে পারলাম, পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন ফি বর্তমানে ১১৫ টাকা।
অর্থাৎ আপনার আবেদনটি সম্পন্ন করার পর ১১৫ টাকা ফি রকেটের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। অবশ্যই সঠিক বিল নম্বর ব্যবহার করে রকেট বা পিবিএস ক্যাশ কাউন্টারের মাধ্যমে আবেদন ফি প্রদান করতে হবে।
আর আবেদন ফি জমা দেওয়ার জন্য একইভাবে আপনাকে ওয়েব সাইটে গিয়ে লগইন করতে হবে। লগইন করলেই নিচে আপনার আবেদনটি দেখতে পাবেন।
এবার আবেদনে গিয়ে এডিট বাটনে ক্লিক করলে সেখানে ফি জমা দেওয়ার অপশন পাবেন। সেখানে ক্লিক করে আবেদন ফি স্লিপ আসবে। এরপর আপনি তাদের বিল নম্বরে ফি জমা দিতে পারবেন।
পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন এসএমএস অনুসন্ধান
পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদনের এসএমএস অনুসন্ধান করার জন্য একইভাবে আপনাকে পুনরায় তাদের ওয়েবসাইট newconnection.rebpbs.com প্রবেশ করতে হবে।
তাদের সাইটে ঢুকে লগইন বাটনটিতে ক্লিক করবেন। লগইনে ক্লিক করলে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড যাবে। আপনি যে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে আবেদন করার সময় একাউন্ট খুলেছিলেন।
সেটি দিয়ে লগইন করুন। এখন লগইন করলে আপনি আবেদনের সকল তথ্য ও ডাটা গুলো দেখতে পাবেন। এছাড়াও সেখানে এসএমএস এর মাধ্যমে অনুসন্ধান করার অপশন আছে।
উপসংহার
সর্বশেষে বলবো আপনি যদি সঠিকভাবে ফর্মটিতে তথ্যগুলো পূরণ করেন তাহলে অবশ্যই পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন সম্পূর্ণ হবে।
আপনার আবেদনটি সহজেই গ্রহণযোগ্য হবে। তাই সকলেই ফর্মটি ভালোভাবে পড়ে আমাদের দেখানোর নিয়ম অনুযায়ী সঠিকভাবে পূরণ করুন। কিভাবে আবেদন করতে হয় তা দেখুন।
এছাড়াও আবেদন সম্পন্ন হয়ে গেলে আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানার জন্য তাদের ওয়েব সাইটে ভিজিট করুন। আমরা সকল তথ্যগুলো আর্টিকেলটিতে জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি।
বিশেষ করে পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন অনুসন্ধান কিভাবে করতে হয় তার দেখিয়ে দিয়েছি। আর এই ধরনের তথ্যবহুল আর্টিকেল পড়তে আমাদের ওয়েবসাইটে চোখ রাখুন।
FAQs
১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
হ্যাঁ অবশ্যই , বৈদ্যুতিক মিটার পরিবর্তন করা যাবে।তার জন্য আপনাকে অনলাইনে নতুন মিটারের জন্য আবেদন করতে হবে।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন ফি মাত্র ১২০ টাকা।বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
বৈদ্যুতিক মিটার পরিবর্তন করা যাবে কি?
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন ফি কত?

আমি উদ্ভাস আইটির এডমিন, একজন অনলাইন ইনকাম ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কনটেন্ট ক্রিয়েটর। গত ৫ বছর যাবত আমি ব্লগিং এর সাথে যুক্ত রয়েছি। অনলাইন আয়ের বাস্তব ও কার্যকরী উপায়, প্রযুক্তির আপডেট এবং ডিজিটাল দুনিয়ার নানা দিক নিয়ে আমি নিয়মিত আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি। লক্ষ্য একটাই পাঠকদের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য তুলে ধরা।






