বর্তমান সময়ে ভয়েস চেঞ্জ অ্যাপের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। মজার ভিডিও তৈরি করা, গেমিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন, প্র্যাঙ্ক কল কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় ইউনিক কনটেন্ট প্রকাশ করার জন্য অনেকেই ভয়েস চেঞ্জ অ্যাপ ব্যবহার করেন।
এসব অ্যাপের মাধ্যমে আপনি সহজেই নিজের কণ্ঠস্বরকে পুরুষ, নারী, রোবট, শিশু, এলিয়েন বা বিভিন্ন মজার ইফেক্টে পরিবর্তন করতে পারবেন।
এই আর্টিকেলে আমরা সেরা ১০ টি ভয়েস চেঞ্জ অ্যাপ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব, যাতে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সেরা অ্যাপটি বেছে নিতে পারেন।
ভয়েস চেঞ্জ অ্যাপ কি?
ভয়েস চেঞ্জ অ্যাপ হলো এমন একটি সফটওয়্যার বা মোবাইল অ্যাপ, যা আপনার কণ্ঠস্বরকে বিভিন্ন ইফেক্ট ব্যবহার করে পরিবর্তন করতে পারে।
এসব অ্যাপ রেকর্ড করা অডিও কিংবা লাইভ ভয়েস উভয় ক্ষেত্রেই কাজ করতে পারে। এছাড়াও আপনার ভয়েস চেঞ্জ করে ছেলে থেকে মেয়ে করতে পারবেন।
অবশ্যই পড়বেনঃ
সাধারণত রেকর্ডেড ও লাইভ ভয়েস চেঞ্জ করা যায়। সফটওয়্যার গুলো বিভিন্ন এ আই ইফেক্ট ব্যবহার করে ভয়েস চেঞ্জ করে থাকে। আপনি এগুলো কনটেন্ট ক্রিয়েশন ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক কাজে ব্যবহার করতে পারেন।
সেরা ৫টি ভয়েস চেঞ্জ অ্যাপ
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহার করে খুব সহজেই বিভিন্ন সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ভয়েস চেঞ্জ করতে পারবেন। একমাত্র এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ব্যবহার করেই এই সকল কাস্টমাইজেশনের সুবিধা পাওয়া যায়।
গুগল প্লে স্টোর থেকে বিভিন্ন অ্যাপস ইনস্টল করতে পারবেন, যেগুলো ব্যবহার করে ভয়েস চেঞ্জ করা যায়। আজ আমরা আপনাদের জানার সুবিধার্থে সেরা ১০ টি ভয়েস চেঞ্জ অ্যাপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো। চলুন এবার অ্যাপ গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসা যাক।
১. Voice Changer with Effects
ভয়েস চেঞ্জ করে কথা বলার সেরা একটি অ্যাপস হলো Voice Changer with Effects। এই অ্যাপটি বর্তমানে খুবই জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কারণ এই অ্যাপে বিশেষ কাস্টমাইজেশন সুবিধা রয়েছে।
এখানে আপনি বিভিন্ন টাইপের ভয়েস চেঞ্জ করতে পারবেন। এছাড়াও ইফেক্ট ব্যবহার করে ভয়েস পরিবর্তন করা যাবে। আমার জানামতে এখানে প্রায় ৪০টিরও বেশি ভয়েস ইফেক্ট রয়েছে।
তাছাড়াও বিশেষ রোবট, এলিয়েন, হিলিয়াম ইফেক্ট গুলো পেয়ে যাবেন। এই ভয়েস চেঞ্জ ইফেক্টগুলো অনেকেই পছন্দ করে থাকেন। এছাড়াও অ্যাপটিতে অডিও সংরক্ষণ ও শেয়ার করার ফিচার রয়েছে।
যার ফলে আপনি ভয়েস পরিবর্তন করে সেটি রেকর্ড করে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারবেন। প্রথমে আপনি এখানে ভয়েস রেকর্ড করে নিবেন,
এরপর আপনার ইচ্ছা মত ইফেক্ট সিলেক্ট করে ভয়েস চেঞ্জ করে নিন। এখন আপনি অডিও সংরক্ষণ করে সহজে শেয়ার করতে পারবেন।
অ্যাপটির ইন্টারফেস অনেকটা সহজ, যে কোন ব্যক্তি সহজে ব্যবহার করতে পারবে। গুগল প্লে স্টোরে এই অ্যাপটি এভেলেবেল রয়েছে।

ইতিমধ্যে এই অ্যাপটি ১০০ মিলিয়ন এর বেশি বার গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড হয়েছে। আর অ্যাপের রেটিং ৪.৭।
Voice Changer with Effects অ্যাপের সুবিধাঃ
- ফ্রি ব্যবহার করা যায়
- সহজ ইন্টারফেস
- অডিও সংরক্ষণ ও শেয়ার সুবিধা
- প্রায় 40 টির বেশি ভয়েস ইফেক্টরে রয়েছে
- আনলিমিটেড ফ্রি ভয়েস চেঞ্জ করা যাবে
২. Voicemod
এটি গেমার এবং লাইভ স্ট্রিমারদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি অ্যাপ। কারণ এই অ্যাপ ব্যবহার করে লাইভ গেমিং করা অবস্থায় ভয়েস চেঞ্জ করা যায়।
মূলকথা রিয়েল টাইম ভয়েস চেঞ্জ করতে পারবেন। এছাড়াও এই অ্যাপটি ডিসকর্ড ও অন্যান্য লাইভ প্ল্যাটফর্মে সাপোর্ট করে। অসংখ্যা প্রিমিয়াম ভয়েস ইফেক্ট রয়েছে, যা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।
আর এখানে সবচেয়ে বড় সুবিধা হল উচ্চমানের অডিও রেকর্ড করা যায়। পাশাপাশি লাইভ ভিডিওতে অডিও চেঞ্জ করতে পারবেন। যার কারণে গেমাররা এই সফটওয়্যারটি বেশি পছন্দ করে থাকে।

যে কোন স্মার্টফোন ব্যবহারকারী গুগল প্লে স্টোর থেকেই সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে Voicemod লিখে সার্চ করুন।
এরপর ইন্সটল করে ব্যবহার করুন। অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর থেকে 5 মিলিয়ন এর বেশি বার ডাউনলোড হয়েছে, পাশাপাশি অ্যাপের রেটিং আছে 3. 2।
অ্যাপের স্পেশাল ফিচারঃ
- রিয়েল-টাইম ভয়েস পরিবর্তন
- ডিসকর্ড ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে সাপোর্ট
- অসংখ্য প্রিমিয়াম ভয়েস ইফেক্ট
৩. MagicCall – কল ভয়েস চেঞ্জার অ্যাপ
আপনি কি কল করার সময় ভয়েস চেঞ্জ করতে চান, তাহলে এই MagicCall অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন। এই অ্যাপ ব্যবহার করে কলিং সময়ে ভয়েস পরিবর্তন করা যায়।
মূলত লাইভ কলে ভয়েস পরিবর্তন করতে পারবেন। পাশাপাশি এই অ্যাপ ব্যবহার করে পুরুষ থেকে নারী কণ্ঠস্বর এ পরিবর্তন করতে পারবেন।
এছাড়াও নতুন নতুন ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড ইফেক্ট দেওয়া যাবে। সর্বশেষে বলবো এই অ্যাপটি মূলত লাইভ কলে ভয়েস পরিবর্তনের জন্য বানানো হয়েছে।
আপনি ইচ্ছামত কণ্ঠস্বর পরিবর্তন করে কথা বলতে পারবেন। আপনারা বিনোদনের জন্য এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন।

পাশাপাশি প্রাঙ্ক করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। অনেকেই এই ধরনের ব্যবহার করে কনটেন্ট ক্রিয়েশন করে থাকেন। মূলত সঠিক কাজের ক্ষেত্রে এই সকলের ব্যবহার করুন।
গুগল প্লে স্টোরে তাদের অ্যাপ রয়েছে। অ্যাপটি ১০ মিলিয়নের বেশিরভাগ ডাউনলোড হয়েছে। আপনি গুগল প্লে স্টোরে সার্চ করে ইন্সটল করে নিতে পারেন। অসংখ্য ফিচার সম্পূর্ণ ফ্রিতে পাবেন।
৪. VoiceFX
লাইভ স্টিমের সময় ভয়েস পরিবর্তন করতে চাইলে এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও রেকর্ডেড ভয়েস এই অ্যাপ ব্যবহার করে পরিবর্তন করা যায়।
আপনি ভয়েস রেকর্ড করে পরবর্তীতে এই অ্যাপের বিভিন্ন ইফেক্ট ব্যবহার করে চেঞ্জ করতে পারবেন। সাধারণত ভয়েস mp3 ফরম্যাটে সংরক্ষণ করা যায়।
বিভিন্ন ধরনের ভয়েস ইফেক্ট পাবেন, যেগুলো ফ্রিতে ব্যবহার করা যায়। এই অ্যাপটির বিশেষ সুবিধা হল অ্যাপটি খুব দ্রুত ভয়েস চেঞ্জ করতে পারে। আর ব্যবহার করা খুবই সহজ।
ইন্টারফেস অনেকটা সাদামাটা। অ্যাপটি যেহেতু নতুন, তাই গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি অনেক কম ডাউনলোড হয়েছে।
তবুও আপনি চাইলে সহজ ইন্টারফেসের জন্য এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন। এই অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোরে আছে। আপনি ইন্সটল করে ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
VoiceFX এর ফিচারঃ
- বিভিন্ন ভয়েস ইফেক্ট
- MP3 ফরম্যাটে সংরক্ষণ
- লাইভ স্ট্রিমিং সুবিধা
৫. Funcalls – ভয়েস চেঞ্জ অ্যাপ
লাইভ কলের সময়ে ভয়েস পরিবর্তন করতে চান, তাহলে বলবো Funcalls ব্যবহার করুন। এই অ্যাপটি স্পেশালি কলিং এর ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
মূলত কল করার সময়ই ভয়েস চেঞ্জ করা যায়। অনেকে ভয়েস চেঞ্জ করে কথা বলতে চান, তারা এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন।
বন্ধুবান্ধবসহ পরিচিতদের সাথে প্র্যাঙ্ক করার ক্ষেত্রে এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন। কারণ এখানে বিভিন্ন টাইপের ভয়েস ইফেক্ট আছে। বিশেষ করে মেইল থেকে ফিমেল ভয়েস ইফেক্ট রয়েছে।
যার ফলে আপনি পুরুষের কন্ঠ থেকে মহিলার কন্ঠে ভয়েস পরিবর্তন করতে পারবেন। এই অ্যাপের অডিও কোয়ালিটি খুবই উচ্চ মানের।
আপনার কলে থাকা অপরপক্ষ খুব ভালোভাবেই কথা শুনতে পারবে এবং বুঝতে পারবে। এছাড়াও এই অ্যাপ ব্যবহার করে কল রেকর্ড করা যাবে।
আর বিশেষ সুবিধা হল এই অ্যাপটি আন্তর্জাতিক কল সাপোর্ট করে। অর্থাৎ আপনি যে কোন দেশের নাম্বারে কল করে কথা বলার সময়ে ভয়েস পরিবর্তন করতে পারবেন।
এই অ্যাপটিও গুগল প্লে স্টোরে অ্যাভেলেবল রয়েছে। আমি দেখতে পাচ্ছি ইতিমধ্যেই অ্যাপটি ৫ মিলিয়ন এর বেশি ডাউনলোড হয়েছে। আপনি চাইলে ইন্সটল করে ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
ভয়েস চেঞ্জ ছেলে থেকে মেয়ে
বর্তমানে এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনে বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করে ভয়েস চেঞ্জ ছেলে থেকে মেয়ে করা যায়। ইতিমধ্যেই আমি অনেকগুলো অ্যাপ সম্পর্কে জানিয়েছি,
যেগুলো ব্যবহার করে ছেলে থেকে মেয়ে ভয়েস চেঞ্জ করতে পারবেন। অনেকগুলো অ্যাপ খুব ভালোভাবে কাজ করে। আমি এখন আরো কয়েকটি অ্যাপ সম্পর্কে বলে দেব,
যেগুলি গুগল প্লে স্টোরে আছে এবং বর্তমানে খুবই জনপ্রিয়। আর এই অ্যাপ গুলো ব্যবহার করে অনেক টাইপের ভয়েস পরিবর্তন করতে পারবেন।
বিশেষ করে ভয়েস চেঞ্জ করে ছেলে থেকে মেয়ে করা যাবে। চলুন নিম্নে কয়েকটি সেরা ভয়েস চেঞ্জার এপ্স গুলো দেখে আসি।
Voice Changer Plus
আপনি কি iphone device ব্যবহারকারী। তাহলে ভয়েস চেঞ্জ করার ক্ষেত্রে Voice Changer Plus অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন।
এই অ্যাপটি শুধুমাত্র আইফোন ডিভাইসের জন্য বানানো হয়েছে। অনেকেই আইফোন ডিভাইসে ভয়েস পরিবর্তন করতে পারেন না, তারা কিন্তু এই অ্যাপটি অ্যাপেল স্টোর থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন।
আইফোন ডিভাইজে এই অ্যাপটি ব্যবহার করে অনেক সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়। বিশেষ করে প্রচুর ভয়েস ইফেক্ট পাবেন। যেগুলো বেশির ভাগই ফ্রিতে ব্যবহার করা যায়।
তাছাড়াও এখানে প্রায় ৫০টির বেশি ভয়েস ইফেক্ট পাবেন। যা আপনি ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারেন। পাশাপাশি অডিও এডিটিং সুবিধা রয়েছে।
অর্থাৎ অডিও রেকর্ডিং করে তার ভয়েস পরিবর্তন করা যাবে। আর এই অ্যাপটি আইফোন ডিভাইসে খুব ভালোভাবে কাজ করে। যে কোন অডিও খুব দ্রুত সময়ে পরিবর্তন করতে পারে এবং সেভ করতে পারে।
iphone ছাড়াও আইপ্যাড ডিভাইসে এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন। যাদের আইফোন ডিভাইস রয়েছে তারা অ্যাপ স্টোর থেকে ইন্সটল করতে পারেন।
Voicer Celebrity Voice Changer
বিভিন্ন স্টাইলের কণ্ঠস্বর তৈরি করার ক্ষেত্রে এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন। এই অ্যাপ স্টাইলিশ ভয়েস চেঞ্জ করার সুবিধা দেয়।
বিভিন্ন সেলিব্রেটির ভয়েস এখানে রয়েছে, যা ব্যবহার করে ভয়েস চেঞ্জ করতে পারবেন। মূলত সেলিব্রেটির স্টাইলিশ ভয়েস গুলো আপনি নিজের ভয়েজ চেঞ্জ এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারবেন। এই অ্যাপের বিশেষ কিছু ফিচার আছে যেমনঃ
- মজার ভয়েস ফিল্টার
- দ্রুত রেকর্ডিং
- সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ারিং
Girl Voice Changer PRANK
এটি শুধুমাত্র ছেলে থেকে মেয়ে ভয়েস চেঞ্জ করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। ধরুন ছেলের কণ্ঠস্বর চেঞ্জ করে মেয়ে কন্ঠস্বর করতে চান।
তাহলে এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন। রেকর্ডেড ভয়েস এখানে পরিবর্তন করা যায়। যে কোন ছেলের রেকর্ড ভয়েস আপনি এখানে পরিবর্তন করে মেয়ে ভয়েজ করতে পারবেন।
অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোরে ৫ মিলিয়ন প্লাস ডাউনলোড হয়েছে। যা দেখে বুঝতে পারছেন অ্যাপটি অনেক জনপ্রিয়।
কল ভয়েস চেঞ্জার অ্যাপ
শুধুমাত্র কথা বলার ক্ষেত্রে ভয়েস চেঞ্জ করতে চান, তাহলে অনেকগুলো অ্যাপ আছে যেগুলো ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
আমি উপরে কয়েকটি অ্যাপ শেয়ার করেছি, যেগুলো ব্যবহার করে কল ভয়েস চেঞ্জ করা যায়। এবার চলুন নিম্নে কয়েকটি সেরা কলিং ভয়েস চেঞ্জার অ্যাপ দেখে আসি।
- MagicCall
- Funcalls
- Prank Dial
- Call Voice Changer
- BendyBooth
- Live Voice Changer
ভয়েস চেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা
- কনটেন্টকে আরও আকর্ষণীয় করা যায়।
- গেমিং ও লাইভ স্ট্রিমিংয়ে মজার অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।
- ভিডিও ও শর্টস তৈরিতে নতুনত্ব আসে।
- বিভিন্ন ধরনের অডিও কনটেন্ট তৈরি করা সহজ হয়।
- বিনোদন ও সৃজনশীল কাজে সহায়ক।
ভয়েস চেঞ্জার অ্যাপ ব্যবহারের সময় সতর্কতা
- অন্যকে বিভ্রান্ত বা প্রতারণার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবেন না।
- ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখুন।
- শুধুমাত্র বৈধ ও নৈতিক কাজে ব্যবহার করুন।
- অ্যাপ ইনস্টল করার আগে রিভিউ ও পারমিশন যাচাই করুন।
উপসংহার
বর্তমানে বাজারে অসংখ্য ভয়েস চেঞ্জ অ্যাপ থাকলেও সবগুলো সমান কার্যকর নয়। আপনি যদি মজার ভয়েস ইফেক্ট চান, তাহলে Voice Changer with Effects ব্যবহার করতে পারেন।
আর লাইভ স্ট্রিমিং বা গেমিংয়ের জন্য Voicemod একটি সেরা অ্যাপ। আপনার প্রয়োজন ও ডিভাইস অনুযায়ী উপরের তালিকা থেকে সেরা ভয়েস চেঞ্জার অ্যাপ নির্বাচন করে ব্যবহার করতে পারেন।
সর্বশেষে বলবো ভালো কাজের ক্ষেত্রে এই অ্যাপ গুলো ব্যবহার করুন। তাছাড়াও বিনোদনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন।
অসৎ উদ্দেশ্যে কখনোই এই ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করবেন না। আমি অনেকগুলো অ্যাপস সম্পর্কে বলে দিয়েছি, এখন আপনি পছন্দ অনুযায়ী ইন্সটল করে ব্যবহার করুন।

আমি উদ্ভাস আইটির এডমিন, একজন অনলাইন ইনকাম ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কনটেন্ট ক্রিয়েটর। গত ৫ বছর যাবত আমি ব্লগিং এর সাথে যুক্ত রয়েছি। অনলাইন আয়ের বাস্তব ও কার্যকরী উপায়, প্রযুক্তির আপডেট এবং ডিজিটাল দুনিয়ার নানা দিক নিয়ে আমি নিয়মিত আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি। লক্ষ্য একটাই পাঠকদের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য তুলে ধরা।






